
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সকল শিক্ষার্থীদের ঐক্য, কল্যাণ ও সংস্কৃতি চর্চার মঞ্চ।
তিতাস হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিক্ষার্থীদের একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, ভ্রাতৃত্বমূলক, অলাভজনক ও সেবাধর্মী সংগঠন।
২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি, যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও হলে ছড়িয়ে থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তানদের একটি পরিবারের মতো বন্ধনে আবদ্ধ করাই তিতাসের মূল উদ্দেশ্য। সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গর্ব ও ঐতিহ্য ধারণ করে তিতাস এগিয়ে চলেছে।
সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত সেবাধর্মী সংগঠন
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও আর্থিক স্বচ্ছতা
সকল শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত
শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তিতাসের চারটি মূল স্তম্ভ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও চর্চা অব্যাহত রাখা।
পড়াশোনা সংক্রান্ত পরামর্শ, তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সহযোগিতা।
বিভিন্ন বিভাগ ও হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি।
তিতাস নিয়মিতভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে
তিতাসের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রধান নেতৃবৃন্দ

Raiyan Kabir Oishi
"তিতাস শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি আমাদের পরিবার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ানোই আমাদের অঙ্গীকার। আমরা বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারি।"

Rifty Al Zabed
"ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে তিতাস এগিয়ে চলেছে। প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আপনাদের সকলের সহযোগিতায় তিতাসকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।"
একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে পূর্ণাঙ্গ সংগঠনে রূপান্তরের যাত্রা
"তিতাস—ঢাবিতে একখণ্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া" ফেসবুক গ্রুপ চালুর মাধ্যমে যাত্রা শুরু।
একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, ভ্রাতৃত্বমূলক, অলাভজনক ও সেবাধর্মী সংগঠন হিসেবে তিতাসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবাগত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম নবীনবরণ অনুষ্ঠান।
বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রক্তদান ক্যাম্পেইন ও সামাজিক কর্মসূচি সম্প্রসারণ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ঢাবিতে তিতাসই প্রথম গণতান্ত্রিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে নির্বাচনের মাধ্যমে।
তিতাসের নিজস্ব ওয়েবসাইট, ডিজিটাল সদস্যপদ ব্যবস্থাপনা ও অনলাইন উপস্থিতি জোরদার।
তিতাসের গঠনতন্ত্রে সংগঠনের কাঠামো, নিয়মাবলী ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সংগঠনের সকল কার্যক্রম এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
গঠনতন্ত্র দেখুন|View Constitutionআপনি যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিক্ষার্থী হন, তাহলে আজই তিতাসে যোগ দিন এবং আমাদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন।